সুনামগঞ্জ , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় ইটভাটা কর্মী নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো

শাল্লায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ১৮-১০-২০২৫ ০৭:২১:১৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-১০-২০২৫ ০৭:২২:০৭ পূর্বাহ্ন
শাল্লায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার ::
শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুধীর চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
গত ২০ জুলাই হবিবপুর ইউনিয়নের সরসপুর গ্রামের মৃত কার্তিক চন্দ্র দাসের ছেলে রবীন্দ্র কুমার দাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ইউপি সদস্য সুধীর চন্দ্র দাস শ্যামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সরসপুর গ্রামের মধ্যেরহাটি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প দেখিয়ে দুই লক্ষ টাকার বরাদ্দ গ্রহণ করেন এবং এর মধ্যে এক লক্ষ টাকা আত্মসাত করেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত চৈত্র মাসে এলাকার কয়েকজন যুবক নিজ উদ্যোগে চাঁদা তুলে ওই রাস্তা নির্মাণ করেন। কিন্তু ইউপি সদস্য প্রকৃত কাজ না করেও সেই রাস্তা দেখিয়ে প্রকল্প জমা দিয়ে সরকারি টাকা তুলে নেন। অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য সুধীর চন্দ্র দাস বলেন, আমি অন্য এলাকায় প্রকল্প জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু স্থানীয় কয়েকজন যুবক অনুরোধ করেন এই রাস্তার উপর প্রকল্প দিতে। তাদের কথামতো আমি প্রকল্প জমা দিই এবং এক লক্ষ টাকা উত্তোলন করি। এর কিছু অংশ প্রকল্পের পরিবহন খরচ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দিতে হয়েছে। অবশিষ্ট টাকা যারা রাস্তার কাজ করেছেন তাদের নিতে বলেছি। দ্বিতীয় বিলের আরও এক লক্ষ টাকাও তোলার পর তাদের দিতে বলেছিলাম। এখন প্রতিপক্ষ মহল আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ষড়যন্ত্র করছে।
এ বিষয়ে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বদলিজনিত কারণে তদন্তে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স