সুনামগঞ্জ , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ , ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যে ছয় কারণে ব্যর্থ হল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধীদল ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপি সব জায়গায় নিজেদের লোক বসিয়ে ‘ক্যু’ শুরু করেছে : জামায়াত আমির ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না : বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে বিশিষ্টজনদের সাথে ভারতের মনিপাল হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের মতবিনিময় শান্তিগঞ্জে বাঁধ কেটে জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ, স্বস্তিতে কৃষক সাত দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি হাওরে জলাবদ্ধতা নিরসনে বাঁধ কাটতে গিয়ে তরুণের মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ মধ্যনগর প্রধানমন্ত্রী সিলেট আসছেন ২ মে এগারো দলীয় জোটের ভবিষ্যৎ কী সমন্বিত প্রচেষ্টায় বিচারিক কাজকে আরো কার্যকরের আহ্বান পাথারিয়া ইউপি ভবন নির্ধারিত স্থানে বাস্তবায়নের দাবিতে সভা পানির তোড়ে ভেঙে যাওয়া বাঁধ রক্ষা করলেন হাজারো কৃষক গণশুনানিতে বদলাচ্ছে রাজনীতির ধরণ, আলোচনায় এমপি কামরুল জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন বিল সংসদে পাস কোথাও ধান কাটার উৎসব, কোথাও জলের নিচে স্বপ্ন মুক্তিপণ নেয়ার পরও অপহরণকারীরা ফেরত দেয়নি মোনায়েমকে, উৎকণ্ঠায় পরিবার টাঙ্গুয়ার হাওরে ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প কমিউনিটি ভিত্তিক স্বপ্ন কি টিকে থাকবে? দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ পার্লামেন্ট : হাসনাত আব্দুল্লাহকে স্পিকার সংসদে ১৩ দিনে ৯১টি বিল পাস

শাল্লায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ১৮-১০-২০২৫ ০৭:২১:১৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-১০-২০২৫ ০৭:২২:০৭ পূর্বাহ্ন
শাল্লায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার ::
শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুধীর চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
গত ২০ জুলাই হবিবপুর ইউনিয়নের সরসপুর গ্রামের মৃত কার্তিক চন্দ্র দাসের ছেলে রবীন্দ্র কুমার দাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ইউপি সদস্য সুধীর চন্দ্র দাস শ্যামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সরসপুর গ্রামের মধ্যেরহাটি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প দেখিয়ে দুই লক্ষ টাকার বরাদ্দ গ্রহণ করেন এবং এর মধ্যে এক লক্ষ টাকা আত্মসাত করেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত চৈত্র মাসে এলাকার কয়েকজন যুবক নিজ উদ্যোগে চাঁদা তুলে ওই রাস্তা নির্মাণ করেন। কিন্তু ইউপি সদস্য প্রকৃত কাজ না করেও সেই রাস্তা দেখিয়ে প্রকল্প জমা দিয়ে সরকারি টাকা তুলে নেন। অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য সুধীর চন্দ্র দাস বলেন, আমি অন্য এলাকায় প্রকল্প জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু স্থানীয় কয়েকজন যুবক অনুরোধ করেন এই রাস্তার উপর প্রকল্প দিতে। তাদের কথামতো আমি প্রকল্প জমা দিই এবং এক লক্ষ টাকা উত্তোলন করি। এর কিছু অংশ প্রকল্পের পরিবহন খরচ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দিতে হয়েছে। অবশিষ্ট টাকা যারা রাস্তার কাজ করেছেন তাদের নিতে বলেছি। দ্বিতীয় বিলের আরও এক লক্ষ টাকাও তোলার পর তাদের দিতে বলেছিলাম। এখন প্রতিপক্ষ মহল আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ষড়যন্ত্র করছে।
এ বিষয়ে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বদলিজনিত কারণে তদন্তে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স