সুনামগঞ্জ , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ , ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারাদেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাহাড়ি ঢলের তান্ডবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, চরম দুর্ভোগে সীমান্তবাসী একদিনেই দুই শিশুর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ মধ্যনগরের ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ পথে যেতে যেতে: পথচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সওজকে আদালতের নির্দেশ ‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা

শাল্লায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ১৮-১০-২০২৫ ০৭:২১:১৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-১০-২০২৫ ০৭:২২:০৭ পূর্বাহ্ন
শাল্লায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার ::
শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুধীর চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
গত ২০ জুলাই হবিবপুর ইউনিয়নের সরসপুর গ্রামের মৃত কার্তিক চন্দ্র দাসের ছেলে রবীন্দ্র কুমার দাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ইউপি সদস্য সুধীর চন্দ্র দাস শ্যামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সরসপুর গ্রামের মধ্যেরহাটি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প দেখিয়ে দুই লক্ষ টাকার বরাদ্দ গ্রহণ করেন এবং এর মধ্যে এক লক্ষ টাকা আত্মসাত করেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত চৈত্র মাসে এলাকার কয়েকজন যুবক নিজ উদ্যোগে চাঁদা তুলে ওই রাস্তা নির্মাণ করেন। কিন্তু ইউপি সদস্য প্রকৃত কাজ না করেও সেই রাস্তা দেখিয়ে প্রকল্প জমা দিয়ে সরকারি টাকা তুলে নেন। অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য সুধীর চন্দ্র দাস বলেন, আমি অন্য এলাকায় প্রকল্প জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু স্থানীয় কয়েকজন যুবক অনুরোধ করেন এই রাস্তার উপর প্রকল্প দিতে। তাদের কথামতো আমি প্রকল্প জমা দিই এবং এক লক্ষ টাকা উত্তোলন করি। এর কিছু অংশ প্রকল্পের পরিবহন খরচ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দিতে হয়েছে। অবশিষ্ট টাকা যারা রাস্তার কাজ করেছেন তাদের নিতে বলেছি। দ্বিতীয় বিলের আরও এক লক্ষ টাকাও তোলার পর তাদের দিতে বলেছিলাম। এখন প্রতিপক্ষ মহল আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ষড়যন্ত্র করছে।
এ বিষয়ে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বদলিজনিত কারণে তদন্তে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স